Breaking News
Home / পাবনা সদর / পাবনা নূরপুর বিউবোর আবাসিক ভাবনসহ বিভিন্ন স্থাপনাগুলো সংস্কার না হওয়ায় ব্যবহারের অযোগ্য

পাবনা নূরপুর বিউবোর আবাসিক ভাবনসহ বিভিন্ন স্থাপনাগুলো সংস্কার না হওয়ায় ব্যবহারের অযোগ্য

আইএনএস : পাবনা নূরপুর বিদ্যুত উন্নয়ন বোর্ডের ওয়াবদা ক্যাম্পাসের ভিতরে আবাসিক ভবনগুলোর সংস্কার রক্ষণাবেক্ষণ না করায় ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। এ ছাড়াও প্রায় প্রতিটি ভবনের জানালা দরজা গুলো চুরি হয়ে গেছে। ক্যাম্পাসজুড়ে আগাছায় বিষাক্ত সাপ পোকা-মাকরের অভয়ারণ্যয় পরিণত হয়েছে। বিশালাকারের দুইটি পুকুর আগাছায় ভরাট হয়ে গেছে। ক্যাম্পাসজুড়ে মারাত্বকভাবে পরিবেশের বিপর্যয় হওয়ায় কর্মচারীদের বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। ফলে শহরের বিভিন্ন এলাকায় পরিবার নিয়ে বসবাস করতে হচ্ছে কর্মচারীদের। দেশ স্বাধীনতালাভের পূর্বে প্রায় ৩৫ একর জমিতে বিদ্যুত উন্নয়ন বোর্ডের পরিচালন ও সংরক্ষণ সার্কেল বিউবো, পাবনা ওয়াবদা নামক এ সরকারি প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠে। এ প্রতিষ্ঠানের ভিতরে স্থাপিত গ্রীড উপ-কেন্দ্র, অফিস ভবন, আবাসিক ভবন, বৈদ্যুতিক মালামাল রাখার ছোটবড় একাধিক গুদামঘর, তারকাঁটা দিয়ে ঘেরা বাউন্ডারি, প্রায় ১৫ বিঘা জমিতে পুকুর, একটি মসজিদসহ বিভিন্ন স্থাপনা। ৯০-র দশক পর্যন্ত সরকারি এ প্রতিষ্ঠানটি বিপুল সংখ্যক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কর্মস্থল এবং কর্মচাষ্ণল্য ছিল। এরপর থেকে বিউবোর বিদ্যুত ঘাটতি, লোডসেডিং এবং দেওলিয়াত্বর কারণে বেসরকারি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কেডিএস এবং পরে টেকনো ইন্ডেক্স কে দেয়া হয় চুক্তিভিত্কি বাণিজ্যিক বিভাগের দায়িত্ব। কিন্তু এতেও বড় অংকের লোকসান গুনতে হয় বিউবোকে। বর্তমান সরকার এই লোকসান এবং দেওলিয়াত্বের হাত থেকে বেরিয়ে আসার জন্য নরদান ইলেক্ট্রি সিটি কোম্পানি লিমিটেড নামক কোম্পানি করায় বিউবো অনেকটা স্বস্তি ফিরে পায়। পূর্বের ন্যায় বিদ্যুত ঘাটতি, লোড সেডিং, গ্রাহকসেবায় অনিয়ম-হয়রানী, অনিয়ম-দুর্নীতি এসবের হাত থেকে মুক্তিপায় পাবনা বিউবো। কিন্তু সরকারি এ প্রতিষ্ঠানের কোটি কোটি টাকা মূল্যে স্থাপনা বর্তমান সংস্কার, মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে প্রায় ধ্বংসের পথে। পরে থাকা আবদি জমিতে ধানের আবাদ এবং বিশালাকারে পুকুরে বিপুল পরিমান মাছের চাষ করা হতো কিন্তু অব্যবস্থাপনার কারণে ত্ওা বন্ধ হয়ে গেছে। প্রতিষ্ঠানে কর্মরত সিকিউরিটি গার্ড এবং দু-একজন নি¤œ পদের কর্মচারীরা যানায়, দীর্ঘদিনের পুরোনো এসব আবাসিক ভবনে অত্যন্ত ঝঁকির মধ্যে বসবাস করতে হচ্ছে তাদের। একটু বৃষ্টি হলেই সাদ দিয়ে পারি পরে, ক্যাম্পাসের ভিতরে জরাজীর্ণ রাস্তাগুলোতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। জঞ্জলের কারণে বিষাক্ত সাপ ও বিভিন্ন প্রাণীর অবাধ বিচরণে আতঙ্কের মধ্যে ডিউটি ও বসবাস করতে হচ্ছে তাদের। চোরের উপদ্রপ তো আছেই। প্রায় প্রতিনিয়তই রাতে চুরি করা মালামলসহ চোরদের ধরে কর্তৃপক্ষে কাছে সোপর্দ করেন নিরাপত্তা প্রহরীরা। বর্তমান ক্যাম্পাসের ভিতরে অবস্থিত নেসকোর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর কার্যালয়। এ অফিসে কর্মরত তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. জিয়উল ইসলাম জানান, এখানকার স্থাপনাগুলো দীর্ঘ দিনের পুরোনো। আমরা এসব স্থাপনাগুলো এমন অবস্থায় পেয়েছি। তবে যেসব স্থাপনাগুলো একটু ভাল আছে তা ব্যবহার করা হচ্ছে। তবে আর্থিক বরাদ্দ পেলে আবাসিক ভবনসহ অন্যান্য স্থাপনাগুলো সংস্কার করা হবে বলে জানান এই কর্মকর্তা।

Check Also

জনগনের কল্যাণে রাজনীতি করে যেতে হবে -ডেপুটি স্পীকার

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সব সময় উন্নয়নে বিশ্বাস করে। আওয়ামী লীগের রাজনীতি করতে হলে জনগনের চাহিদা …

১০ ডিসেম্বর নিয়ে বিএনপি মানুষের মধ্যে গুজব ছড়াচ্ছে-সাহাবুদ্দিন চুপ্পু

পিপ : আওয়ামীলীগের কেন্দ্রিয় উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য ও সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির প্রচার ও প্রকাশনা কমিটির চেয়ারম্যান …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *