Breaking News
Home / ঈশ্বরদী / পদ্মা সেতু বাংগালির গর্বের ও অহংকারের প্রতিক

পদ্মা সেতু বাংগালির গর্বের ও অহংকারের প্রতিক

ঈশ^রদী সংবাদদাতাঃ
পাবনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ¦ নূরুজ্জামান বিশ^াস বলেছেন,‘পদ্মা সেতু বাংগালির গর্বের ও অহংকারের প্রতিক। পদ্মা সেতু ছিল স্বপ্নের মতো, যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দৃশ্যমান করেছেন। পদ্মা সেতু বাংলাদেশকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে। নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ বিশ্বের বুকে বাংগালি জাতি এবং বাংলাদেশের মর্যাদা বাড়িয়েছে। আজ প্রমাণ হয়েছে বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা যে ওয়াদা করেন, তা বাস্তবে রূপদান করেন। শেখ হাসিনার মতো ভিশনারি লিডারশীপ আছে বলেই দেশকে দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।’
শনিবার (১৮ জুন) বিকেলে পদ্মা সেতু উদ্বোধন উপলক্ষে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের সাথে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
উপজেলা আওয়ামী লেিগর সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ¦ নায়েব আলী বিশ^াস, সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মেয়র আবুল কালাম আজাদ মিন্টু, পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও মেয়র ইছাহক আলী মালিথাসহ উপজেলা ও পৌর আওয়ামী লীগের বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী এসময় উপস্থিত ছিলেন।
২৫ জুন পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের দিনে ঈশ^রদীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনের আহব্বান জানিয়ে এমপি বিশ^াস আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে আমাদের চাওয়ার কিছু নেই, না চাইতেই তিনি আমাদের যা দিয়েছেন এ জন্য আমরা ঈশ^রদী ও আটঘোরিয়াবাসী তাঁর কাছে কৃতজ্ঞ। তিনি অসম্ভবকে সম্ভব করে দেখিয়ে দিয়েছেন। পদ্মা সেতু ছিল এক রকম স্বপ্নের মতো, যা তিনি দৃশ্যমান করেছেন। শেখ হাসিনা শুধু স্বপ্ন দেখেনই না, তা বাস্তবায়নও করেন।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনার ভিশনারি নেতৃত্বের কারণে বাংলাদেশ আজ উন্নয়নশীল রাষ্ট্রের স্বীকৃতি পেয়েছে। ঈশ^রদীতে দেশের বৃহত্তম বাজেটের রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মান কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চরেছে। দেশে অর্থনৈতিক অঞ্চল করা হচ্ছে। সেখানে এক কোটি মানুষের কর্মসংস্থান হবে। ৫০ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি আয় বাড়বে। এ ধারা অব্যাহত থাকলে আমরা ২০৪১ সালের আগেই আমরা উন্নত বাংলাদেশ দেখতে পাবো।
মুজিব বাহিনীর আঞ্চলিক প্রধান বিশ^াস বরেন, বাংগালি তার অর্থনৈতিক মুক্তির পথে যখন একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইল ফলক অতিক্রম করতে যাচ্ছে, ঠিক সেই সময়ে বিএনপি এবং তার মিত্ররা হিংসা আর ক্ষোভের আগুনে জ্বলে পুড়ে ছাড়খাঁর হচ্ছে । বাংলাদেশের এই মহা অর্জনের উৎসবকে তারা ম্লান করার লক্ষ্যে নাশকতার আশ্রয় নিয়েছে। জাতির গৌরবের এই মহা অর্জন উদযাপনের ঐতিহাসিক ঘটনাটিকে নস্যাৎ করাই তাদের উদ্দেশ্য। এরা দেশের শত্রু, এরা জাতীয় স্বার্থকে বিপন্ন করতে চায়, এরা বার বার মানবতার উপর আঘাত করতে চায়। সময় এসেছে এদের প্রতিরোধের । মানবতা বিরোধী এই দুষ্টচক্রকে আমাদের রুখে দিতে হবে । জাতীয় স্বার্থ রক্ষায়, মানুষের জীবন- জীবিকা রক্ষায় এই অপশক্তির বিরুদ্ধে সকলকে প্রস্তুত থাকতে হবে। তবে এই অপশক্তিকে রুখে দেয়ার শক্তি ও সামর্থ্য আমাদের রয়েছে। এই অপশক্তিকে সামাজিকভাবে মোকাবেলা করতে হবে। এখন সময় এসেছে এদের বর্জন করার।

Check Also

ঈশ্বরদীর দুই গ্রামের ৫০০ বিঘা ফসলি জমি সাত বছর পানির নিচে

ঈশ্বরদী সংবাদদাতাঃ ঈশ্বরদী উপজেলার দুই গ্রামের প্রায় পাঁচশত বিঘা ফসলি জমিতে জলাবদ্ধতার কারণে কোনো ফসল …

ঈশ্বরদীতে স্কুল শিক্ষার্থীদের নিয়ে রসাটমের বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালন

ঈশ^রদী সংবাদদাতাঃ রাশিয়ার পরমাণু শক্তি কর্পোরেশন রসাটমের প্রকৌশল শাখার আয়োজনে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প নিকটবর্তী …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *