Sunday , October 2 2022
Breaking News
Home / পাবনা সদর / আটঘরিয়ায় মামলা চলাকালীন অবস্থায় বাড়িঘর ভাংচুর, উচ্ছেদ ও পুকুরের মাছ নিধন করার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

আটঘরিয়ায় মামলা চলাকালীন অবস্থায় বাড়িঘর ভাংচুর, উচ্ছেদ ও পুকুরের মাছ নিধন করার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

আটঘরিয়া প্রতিনিধি :
পাবনার আটঘরিয়া উপজেলার মাজপাড়া ইউনিয়নের কচুয়ারামপুর গ্রামে মামলা চলাকালীন অবস্থায় নির্ধারিত সময়ের আগেই বাড়িঘর ভাংচুর, উচ্ছেদ ও পুকুরের মাছ নিধন করার প্রতিবাদে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কচুয়ারামপুর গ্রামে ভুক্তভোগী পরিবারের বাড়ির উপর আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য রাখেন ভূক্তভোগী আ: জলিল প্রামানিক। তিনি বলেন, ১৯৪৩ খ্রী: থেকে আমার নানা মৃত কছের আলী বিশ্বাস মৌজা- কচুয়ারামপুর, জে.এল নং-৪ খতিয়ান, আর এস নং-৩৫, আর.এস দাগ নং-১১০২, পরিমাণ ০.১৮ শতাংশ জমির উপর আমার নানা, পিতা, মাতা এবং আমিসহ আমার পরিবার অদ্যবধি পর্যন্ত তিনটি পরিবার বসবাস করে আসছি।
আমার এই জমি নিয়ে একই এলাকার মৃত কায়েম উদ্দিনের ছেলে গাজিউর রহমান (৬৫) উক্ত জমির নিয়ে আদালতে মামলা করেন। মামলা চলাকালীন অবস্থায় হঠাৎ করে জানতে পারলাম পাবনার আটঘরিয়া ভূমি অফিস থেকে আমার নামে একটি নোটিশ পাঠানো হয়েছে এবং ২০/০৭/২০২২ইং তারিখে উপজেলা ভূমি অফিসে সাক্ষাত করার কথা নোটিশে বলা আছে। সেই মোতাবেক আমি উক্তি ভূমি অফিসে এসে সাক্ষাত করি এবং পরবর্তীতে ২২/৮/২০২২ ইং তারিখে শুনানীর দিন ধার্য্য করা হয়। উক্ত ধার্য্যকৃত তারিখে ভূমি অফিস হইতে আমাকে মামলা বিষয়ে আপিল করতে বলেন।
লিখিত বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, এ বিষয়ে আমি তাৎক্ষণিকভাবে আইনজীবীর স্বরনাপন্ন হই এবং আমাকে আইনজীবী মহোদয় ৪৬ হাজার টাকার কোর্ট ফি প্রদান করতে বলায় ২৩/৮/২০২২ ইং তারিখে আমি কোর্ট ফি জমা দেই এবং আমাকে ১৫/৯/২০২২ ইং আপিল তারিখ শুনানীর দিন ধার্য্য করেন এবং আপিলের কোর্ড ন-৪৬/২২ প্রদান করা হয়। আমাকে আদালত থেকে কোন নোটিশ প্রদান না করে হঠাৎ ১২/৯/২০২২ইং তারিখে বেলা আনুমানিক ১২.০০ ঘটিকার সময় গাজিউর রহমান, তার দুই ছেলে মাসুম, মাজদুল, রবিউল ইসলাম তুফান, আশরাফসহ পাবনা কোর্টের লোকজন, পুলিশসহ ৬০ থেকে ৭০ জন লোক এসে আমার বাড়িঘর ভাংচুর ও উচ্ছেদ করে। আমার ঘরে থাকা ৮ থেকে ১০ ভরি স্বর্ণালংকারসহ নগদ ৩ লাখ টাকাসহ প্রায় ৫০ লাখ টাকা ক্ষতি সাধন করে। শুধু তাই নয়, তারা ওই দিন আমার তিনটি পুকুর থেকে প্রায় ২০ লাখ টাকার মাছ মেরে নিয়ে যায়। বর্তমানে আমার পরিবারের ১৭ জন সদস্য এবং আমার মেয়ে চলমান এসএসসি পরীক্ষার্থীকে নিয়ে খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছি।
পরিশেষে ভূক্তভোগী আ: জলিল প্রামানিক সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, সুষ্ঠ তদন্ত সাপেক্ষে বিষয়টি ন্যায় বিচারের দাবী জানান।

About admin

Check Also

রণেশ মৈত্রের মরদেহে ডেপুটি স্পীকারের শ্রদ্ধাঞ্জলি

জাতির পিতার একজন প্রিয় মানুষ ছিলেন রণেশ মৈত্র। সাংবাদিকতা ও সাহিত্যে তাঁর ছিল সাবলীল পদচারণা। …

Leave a Reply

Your email address will not be published.